Home পার্বত্য বার্তা এবার বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটে বান্দরবানের থানচি

এবার বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটে বান্দরবানের থানচি

119
0

চহ্লামং মারমা(চহ্লা),থানচি(বান্দরবান),প্রতিনিধি//

বিশুদ্ধ পানি অপর নাম জীবন।তবে চোখের দেখার সত্বেও পান করতে হচ্ছে দূষিত পানি।সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থা থেকে জিপিএস লাইনে পানি ব্যবস্থা করে দিলেও ঝিঁড়ি,ঝর্ণা শুকিয়ে যাওয়াতে বিশুদ্ধ ও খাবারে উপযোক্ত পানি সংকটে ভোগছে জনসাধারণ।এমনটা দৃশ্য থানচি উপজেলা এখন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন গ্রাম,মহল্লা ও এমনকি খাবারে দোকানগুলোতে।এদিকে অবৈধভাবে গাছ কর্তন ও পাথর উক্তোলন নিয়ে অভিযোগ করেছে জনসাধারণ ও ভোক্তভোগিরা।

জানা যায় যে, উপজেলা সদর পাশ্বর্বতী কয়েকটি গ্রাম ছাড়া নদীর পানি পান করতে হচ্ছে বাধ্য হয়ে।আর এ নিয়ে বিভিন্ন রোগের আশংঙ্কা ভোগছে।প্রতি বছর মার্চ- মে মাসের পযর্ন্ত বিশুদ্ধ পানি সংকটে থাকলেও এবারে দেখা যায় একটু ভিন্নরুপে। এক কলসি খাবার পানি জন্য হাটতে কিলোমিটার পথ ধরে থাকতে হবে লাইন ধরে কলসি হাতে নিয়ে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক ভোক্তভোগী নারীর জানান, বিগত কয়েক বছর আগে আমারা খাবার পানি জন্য এতটা চিন্তায় করতে হতোনা। টিউওয়েল পানি না পেলেও ঝিঁড়িগুলোতে কুয়া করে পানি পান করার যায় কিন্তু এখন দেখি সেখানে ও পানি নেই। ঘরে ব্যবহার পানি থেকে শুরু করে সব কাজেই নদীর পানি ছাড়া বিকল্প নেই। এ কারণে বিভিন্ন রোগের জন্য সংশয় থাকতে হচ্ছে। জানিনা আমারা ভবিষ্যৎতে কিভাবে পানি পাবো।

আর এদিকে সরজেমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, থানচি ও বলিপাড়া বাজারে কয়েকটি দোকানে ছাড়া সবখানে নদীর পানিটাকে খাবারে পানি হিসেবে ব্যবহার করে যাচ্ছে।পাহাড়ে মানুষের ঝিঁড়ি ,ঝর্ণা ও ছড়াসহ নানা রকমে সোর্স হতে আসা জলের যোগফল থেকে তো পাহাড়ে মানষের খাবার পানি অর্থাৎ বিশুদ্ধ পানি।আর যে পথে জলের সেটি হল ঝিঁড়ি অববাহিকা।

সেই অববাহিকায় গত দশক ধরেই জলপ্রবাহ কমেছে প্রধাণত তিনটি কারণে ১। বন খেকোদের কারণে অর্থাৎ অবৈধ বন ধ্বংস ২। জুম চাষ ৩। পাথর খেকোদের কারণে অর্থাৎ পাথর চুরি। এই সকল কারণের বাইরেও আরো অনেক কারণ আছে। তবে কারন যাই হোক ফলাফল একটিই তা হচ্ছে বছর পর বছর পাহাড়ে ঝিঁড়ি ওয়াটার ডিসর্চাজ কমছে আর কমছে। এসমস্যা সমাধান নিয়ে চিন্তিত ও আতংঙ্কে আছে ভোক্তভোগীরা। তবে সমস্যা সমাধানে উপায় আছে কি?