ওদের বড়দিন কেমন কাটল

67
0

খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব বড়দিন সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও পালিত হল ২৫ ডিসেম্বর। ঢাকার ফুটবলে খেলছেন এমন কয়েকজন বিদেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে রয়েছেন ইউরোপের কোচও। ক্রিসমাস কেমন কাটল তাদের? বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় মারিয়া মান্দা বলেন, ‘প্রত্যেক বছর এই দিনটির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি। সারা বছর খেলায় থাকি। দেশে-বিদেশে খেলি। ক্যাম্পে থাকতে হয়।’ মারিয়া যোগ করেন, ‘এবার বড়দিন উপলক্ষে দিনকয়েকের জন্য ছুটি পেয়েছি। ছুটি পেয়েই ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় নিজের গ্রামে চলে এসেছি। পরিবারের সঙ্গে বড়দিনের উৎসব পালন করছি। সোমবার রাতে অনুষ্ঠান শুরু হয়। গির্জায় প্রার্থনা শেষে সারা রাত নাচ-গান করি। আজ (কাল) ঘুম থেকে উঠে গির্জায় গিয়ে প্রার্থনা করেছি। এরপর আত্মীয়স্বজনদের বাসায় গিয়েছি। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়িয়েছি।’ বসুন্ধরা কিংসের স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্র“জোন গত বছর পরিবারের সঙ্গে বড়দিনের উৎসব পালন করেন। এ বছর তা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা কাপের ফাইনালে খেলছে আমার দল। ফাইনাল শেষ করেই আমি দেশে ফেরার বিমান ধরব। বড়দিন ও নববর্ষ পালন করব একসঙ্গে।’ এদিকে বিশ্বকাপে খেলা বসুন্ধরা কিংসের কোস্টারিকান ফরোয়ার্ড দানিয়েল কলিন্দ্রেস বলেন, ‘খেলা থাকায় দেশে যেতে পারলাম না। বড়দিন পালন করতে পারিনি পরিবারের সঙ্গে। অনুশীলন শেষে সন্ধ্যায় ক্লাবে কেক কেটেছি আজ (গতকাল)। বন্ধুরা মিলে মজা করেছি। কাল (আজ) স্বাধীনতা কাপের ফাইনাল শেষে রাতে দেশে ফেরার জন্য উড়াল দেব, আশা করি।’ তিনি যোগ করেন, ‘কোস্টারিকার আলাজুয়েলায় বাড়িতে সবার সঙ্গে বড়দিন পালন করব। দু’দিন পর নতুন বছরের উৎসব শেষে ফিরে আসব।’ শেখ রাসেলের ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড রাফায়েল ডি সিলভাও আটকে গেলেন ফাইনালের জন্য। তারও আক্ষেপ, ‘ফাইনাল না হলে আমিও দেশে ফিরে যেতাম। বছরে একবারই উৎসবের দিন পাই। তবে আমাদের মতো পেশাদার ফুটবলারদের জীবনে বড়দিন অনেকবার দেশের বাইরে কেটেছে। ক্লাবের বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। এবার পরিবারের সঙ্গে থাকতে চেয়েছিলাম বড়দিনে। স্বাধীনতা কাপের ফাইনালের জন্য পারিনি।’