Home কক্সবাজার ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধে কক্সবাজারে জেলেদের দুর্দিন

৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধে কক্সবাজারে জেলেদের দুর্দিন

81
0

মাছ বড় হওয়ার সুযোগ দিতে প্রজনন মৌসুমের কথা বলে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মাছ শিকার বন্ধের ৬৫ দিন এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৫০ দিন পার হয়ে গেছে। এই ৫০ দিনের মধ্যে জেলেদের দুর্দশার চিত্র কোথাও ভাল মত করে প্রকাশ না করলেও ব্যস্ততম কক্সবাজার ফিসারী ঘাটের

চেহারায় বুঝা যায় জেলেদের পরিবার পরিজন কিভাবে চলছে।

উপরের চিত্রটি কক্সবাজার ফিশারী ঘাটের বর্তমান চিত্র। এক সময় এখানে শত শত মাছ ধরার ট্রলার এসে ভিড় জমাতো আর ঘাটের উপরে ছিল হাজার হাজার ক্রেতা বিক্রেতাদের জমজমাট বাজার। এখন প্রায় জনশূণ্য এই ফিশারী ঘাট। ঘাটে নেই কোন মাছ ধরার ট্রলার। আর না কোন ক্রেতা বিক্রেতা।

কক্সবাজার জেলায় মাছ ধরার জন্য ৬ হাজার ট্রলারের প্রায় ১ লাখেরও বেশী জেলে রয়েছে। এই ৫০ দিন বন্ধের মধ্যে জেলেদের জীবন যাত্রা যে কঠিন ভাবে অতিবাহিত হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

২৩ জুলাই পর্যন্ত অর্থাৎ গুণে গুণে আরও ১৫ দিন তাদের এভাবে অপেক্ষা করতে হবে জেলেদের ট্রলার নিয়ে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে সাগরে যাওয়ার জন্য। আবার ২ মাস পর আসছে ইলিশের প্রজনন মৌসুম। আবারো শীঘ্রই ২১-৩০ দিন বন্ধের নোটিশ পাবে জেলেরা।

অন্যদিকে সাগরে মাছ শিকার না হওয়ায় বাজারে সবজি বাজারসহ বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্যের দাম বেড়েছে আগের চেয়ে অনেকগুণ। যার কারণে মধ্যবিত্তদের মাঝেও পড়েছে বিরূপ প্রভাব।

ফিশারীঘাটে জেলেদের অবস্থা পরিদর্শন করতে গেলে দেখা যায় জেলেরা তাদের মাছ শিকারের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। কয়েকজন জেলেকে বলতে শুনা যায়, তাদের শুধু দেখতে আসে সবাই কিন্তু কেউ জিজ্ঞেস করে না কিভাবে চলছে তাদের জীবন। ট্রলার মালিকদের কাছ থেকেও কোন ধরণের সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছেনা বলে তাদের অভিযোগ।

সরকারী পর্যায়ের তাদের ত্রাণের ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও তেমন কোন অর্থসহযোগিতা বা পরিবারের খরচ যোগানোর মত উল্ল্যেখযোগ্য
কোন সহযোগিতা জেলেরা পায়নি বলেও অভিযোগ করেন জেলেরা।

এদিকে সাগরে ৬৫ দিন মাছ শিকার বন্ধের সময় বাংলাদেশী পানি সীমায় 
ভারত ও মিয়ানমারের জেলেরা অনুপ্রবেশ করে কোটি কোটি টাকার মাৎস্য সম্পদ লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে অহরহ।

https://www.youtube.com/watch?v=rzO0bMNEbZ0