Home » bangladesh » শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কোচ আদিবাসী নারীকে অপহরণের চেষ্টা

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কোচ আদিবাসী নারীকে অপহরণের চেষ্টা

শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া গ্রামে কোচ আদিবাসী নারীকে অপহরণ ও শ্লিলতাহানির চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটে ৩১ আগস্ট শুক্রবার রাতে।

অভিযুক্তের নাম শ্রী বিবিকানন্দ কোচ, পিতা: মৃত শ্রী বিরেন্দ্র কোচ। সে ঐ একই গ্রামে শুশুর বাড়ীতে ঘর জামাই হিসেবে থাকে।

সূত্র থেকে জানা যায়, কোচ বিধবা নারী শিশমনির ছেলে সতিস কোচ পাশের এলাকা পূবপাড়া বেড়াতে যায়। সে রাত শুক্রবার (৩১ আগস্ট ২০২০) দিবাগত রাত আনুমানিক ১:৩০ ঘটিকা সময় তার নিজ বাড়িতে ফেরত আসে।

সতিস কোচ বাড়ীতে ফিরে দেখে অপহরণের চেষ্টাকারী বিবিকানন্দ কোচ সে তার মাকে অপহরণ করার চেষ্টা করছে। তখন সতিস কোচ তার মাকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে যায়। এবং তার চিৎকারে গ্রামের প্রতি বেশিরা এগিয়ে আসে। আর তখন গ্রামের মানুষ সেই অপরহণকারীকে ধরে ফেলে। পরবর্তীতে রাত ৩ ঘটিকা সময় অরহরণকারী বিবিকানন্দ কোচ পালিয়ে যায়।
ঘটনার পরের দিন শনিবার সতিস কোচ গ্রামের গণমান্য ব্যক্তিদের সবাইকে বিচারের জন্য ডাকে। কিন্তু অভিযুক্ত বিবিকানন্দ কোচ বিচারের সময় অনুউস্থিত থাকে। ফলে এই বিষয় নিয়ে আর বিচার শালিস সম্ভব হয়নি। পরে সেই এলাকার মেম্বার এবং চেয়ারমেন কে এ বিষয়ে জানানো হয়।

জানা যায়, এর আগেও অভিযুক্ত এই একই ধরণে ঘটনা ঘটিয়েছে। কিন্তু স্থানীয়রা তাকে সতর্ক কের ছেড়ে দেয়।

স্থানীয় কয়েক জনের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বললে তারা জানায়, অভিযুক্ত বিবিকানন্দ কোচ এর আসল বাড়ি বাকাকুড়া কিন্ত বর্তমানে সে বড় রাংটিয়া গ্রামে শ্রী নেতন কোচ এর বাড়িতে দীর্ঘ দিন যাবৎ ঘর জামাই হিসাবে থাকে। গত ৩১/০৭/২০২০ ইং তারিক রোজ শুক্র দিবাগত রাত্রী ২ ঘটিকার সময় এই ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে আজ সকাল বেলা ঐ মহিলার ছেলে সতিস কোচ ঝিনাইগাতী থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করে। সতিস কোচ অভিযোগে বলেন, আমার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ ও আমার মাকে অপরহণের চেষ্টার সু-বিচার চাই।

আপনি এই খবরটি শেয়ার করতে পারেন!
প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ২, ২০২০এই লেখাটি 322 বার পড়া হয়েছে